জামায়াত-ই- ইসলামী পাকিস্তান-লংমাচ-প্রতিবাদ-কর্মসূচি


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ /
জামায়াত-ই- ইসলামী পাকিস্তান-লংমাচ-প্রতিবাদ-কর্মসূচি

হাফিজ নাঈমুর রহমান । দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

সরকারের সাথে আলোচনার সুযোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে সময় দেবে জামায়াত-ই- ইসলামী পাকিস্তান। তবে প্রতিবাদ কর্মসূচি ও ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ থেকে সরে আসবে না দলটি। পরিস্থিতির অবনতি হলে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে জানিয়েছে তারা।

পাকিস্তানে ইংরেজি দৈনিক দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন (২২ সেপ্টেম্বর) জানায়, জামায়াত-ই-ইসলামীর প্রধান হাফিজ নাঈমুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ আলোচনার পর দলটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতিবাদ চালু থাকবে। একই সাথে জনগণকে স্বস্তি দেয়ার ব্যবস্থা নিয়ে জামায়াতের সাথে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে সময় দেয়া হবে।

মুলতানে এক সংবাদ সম্মেলনে নাঈমুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ তার বক্তব্যের সময় যোগাযোগ করে লংমার্চ বাতিল বা পিছিয়ে দেয়ার অনুরোধ করেছিলেন। পাকিস্তানে ফেরার পর তিনি জামায়াতের নেতাদের সাথে বৈঠক করে জনগণকে স্বস্তি দেয়ার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করবেন বলেও জানিয়েছেন।

নাঈমুর রহমান বলেন, ‘আমি তাকে বলেছি, আপনার মন্ত্রীরা অনেক দিন ধরে এসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন। আর আমাদের এই পরিস্থিতিতে আসতে হয়েছে।’ তিনি বলেন, তীব্র গরমের মধ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কোনো আগ্রহ তাদের নেই, যদি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা যায়। তিনি বলেন, সরকারের দেয়া ত্রাণ প্যাকেজ যথেষ্ট নয়। জামায়াতের প্রধান দাবি হলো পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক বাতিল করা।

নাঈমুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা নয়; এর লক্ষ্য জনগণকে স্বস্তি দেয়া।’

প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার আগ পর্যন্ত জামায়াতের কর্মীরা মাঠে সক্রিয় থাকবেন। এ সময় সরকারের কাছ থেকে লিখিত নিশ্চয়তা চাওয়া হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে আলোচনা না করা পর্যন্ত লংমার্চ মুলতানেই থাকবে। ‘আলোচনার জন্য সরকারের এটাই শেষ সুযোগ,’ বলেন তিনি। একই সাথে পেট্রোলিয়াম পণ্যের অতিরিক্ত শুল্ক বাতিলের দাবি জানান তিনি।

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পেট্রোলের দাম বাড়ার প্রতিবাদে জামায়াত-ই- ইসলামী পাকিস্তান এই আন্দোলন শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে দেশটিজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করেছে দলটি।