ড. ইউনূসসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : আগস্ট ২১, ২০২৬, ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ /
ড. ইউনূসসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। মামলায় অভিযোগ গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত উপাদান না থাকায় আবেদনটি বাতিল করা হয়।

​বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে এ মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন জানান, মামলায় অভিযোগ নেওয়ার মতো কোনো ভিত্তি না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় আদালত এটি সরাসরি খারিজের আদেশ দেন।

​মামলার অন্য অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, আক্তার হোসেন, মো. হাসনাত আবদুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসুদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসেন, কনক সরোয়ার, কর্নেল (অব.) নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদ।

​মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উসকানিতে ৩ থেকে ৫ হাজার লোক লাঠিসোঁটা, হাতুড়ি ও দাহ্য পদার্থ নিয়ে ধানমন্ডি ৩২-এর ঐতিহাসিক ভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরবর্তীতে ভারী যন্ত্রপাতি, বুলডোজার ও এক্সক্যাভেটর ব্যবহার করে ভবনটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

​অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, কয়েকজন আসামি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে ভাঙচুর ও লুটপাটে উসকানি দেন। পাশাপাশি তৎকালীন সরকারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ভবনটি রক্ষায় কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত শুনানিতে এসব অভিযোগে আইনগত ভিত্তি না পাওয়ায় আদালত আবেদনটি খারিজ ঘোষণা করেন।