প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে চট্টগ্রামে আনন্দের জোয়ার


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : আগস্ট ৮, ২০২৬, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ /
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে চট্টগ্রামে আনন্দের জোয়ার
  • আগামীকাল দিনব্যাপী সফরে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন সহায়তা # হেফাজত আমির আল্লামা বাবুনগরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত # বিএনপির তৃণমূল নেতাদের সাথে ব্যতিক্রমী সভায় মিলিত হবেন তিনি # ফটিকছড়িতে প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শনে দলের ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস কাদের চৌধুরী

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান একদিনের সফরে আগামীকাল রোববার চট্টগ্রাম আসছেন। তার এই আগমনকে ঘিরে চট্টগ্রামে বিরাজ করছে তুমুল উচ্ছ্বাস। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। বন্যাকবলিত বাঁশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। ফটিকছড়িতে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রবীণ আলেমেদ্বীন আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন তিনি। সেখানে দেশের শীর্ষ আলেমগণ উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও হাটহাজারী মাদরাসায় হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর (রহ.) ও সাবেক মহাসচিব মজলুম আলেমেদ্বীন হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী। সবশেষ নগরীতে বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার তৃণমূল নেতাদের সাথে ব্যতিক্রমি এক মতবিনিময় সভা তথা সাংগঠনিক সভায় মিলিত হবেন বিএনপি চেয়ারম্যান। হেলিকপ্টার যোগে প্রথমে বাঁশখালী সেখান থেকে ফটিকছড়ি পরে হাটহাজারী হয়ে নগরীতে আসবেন প্রধানমন্ত্রী।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি নগরীর পলোগ্রাউন্ডে জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর গত এপ্রিলে ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে সাক্ষাতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আসার কথা থাকলেও পরে সেই কর্মসূচি আর হয়নি। সে হিসেবে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রামে এটাই তার প্রথম সফর। সরকার প্রধানের এই সফরকে ঘিরে সর্বাত্মক প্রস্তুতি এগিয়ে চলেছে। তার আগমন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ করে দলের চেয়ারম্যানের সাথে সরাসরি মতবিনিময় সভায় মিলিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে দারুণ উজ্জীবিত চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির তৃণমূলের নেতারা। তাদের মধ্যে এ নিয়ে খুব আগ্রহ। মহানগর, জেলা, থানা-উপজেলা, পৌরসভা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রায় ৬০০ নেতা একসাথে দলীয় চেয়ারম্যানের সাথে বসার সুযোগ পাচ্ছেন। সভায় তিন সাংগঠনিক জেলা ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটির পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী ১১টি সংগঠনের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। ওই দিন সন্ধ্যায় নগরীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে এই সভা অনুষ্টিত হবে।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ ইনকিলাবকে বলেন, দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা এখন উজ্জীবিত। বিশেষ করে তার সাথে নেতাদের সরাসরি মতবিনিময় সভাকে ঘিরে সবাই দারুণ খুশি। নির্বাচনের পর দলীয় কার্যক্রম কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে। নির্বাচনি ব্যস্ততার কারণে সাংগঠনিক সভা করা যায়নি। কাউন্সিল, নতুন করে কমিটিও করা হয়নি। এতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা আসে। আশা করি দলীয় প্রধানের সাথে সভার মাধ্যমে দলের সর্বস্তরে ফের চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে। সামনে সিটি কর্পোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচন। দলের সাংগঠনিক বিষয় ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন নিয়েও দিকনির্দেশা দেবেন বলেও জানান তিনি।

বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, চট্টগ্রামে দলীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে এই প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতারা সরাসরি দলীয় প্রধানের সামনে নিজেদের মতামত, পরামর্শ ও স্থানীয় রাজনীতির বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। তারেক রহমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরা এবং সেই সাথে সংগঠনকে কিভাবে আরও সুসংহত করা যায় সে বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা দেবেন।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্গত এলাকায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশ নেবেন। সেই সাথে তিনি দলের নেতাদের সাথে সাংগঠনিক সভায় মিলিত হবেন। তৃণমূলের সংগঠকদের মূল্যায়ন করার এই উদ্যোগ পুরো দলকে পুনরুজ্জীবিত ও নতুন গতিতে চাঙ্গা করে তুলবে। তৃণমূলের রাজনীতি দিয়েই পুরো বাংলাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তারেক রহমান। তিনি সবসময় তৃণমূলকে মূল্যায়ন করে আসছেন। তিনি যখন দেশের বাইরে ছিলেন, তখনও তৃণমূলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। প্রধানমন্ত্রী সরকারি পর্যায়ে দুর্গতদের সহায়তার পাশাপাশি দলীয়ভাবে তাদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছেন, সভায় তিনি বিষয়টি আরো গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দেবেন। কারণ জনগণের কল্যাণই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

তৃণমূল থেকে উঠে আসা বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন লিপু বলেন, দলের চেয়ারম্যানের এমন ব্যতিক্রমি উদ্যোগে আমরা আবেগ আপ্লুত। তার সাথে আমরা সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাব। আমরা চাই দলে যারা সত্যিকারের ত্যাগী এবং বিগত সতেরো বছর যারা জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদের এভাবে মূল্যায়ন করা হোক, দলের কমিটিতেও তাদের রাখা হোক।

ফটিকছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশ : দেশের প্রবীণ খ্যাতনামা আলেমেদ্বীন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎকে ঘিরে ফটিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাবুনগর মাদরাসায় সব ধরনের প্রস্ততি শেষ পর্যায়ে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ব্যাপক আয়োজন করছে। গতকাল জুমার নামাজ শেষে সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও রাউজান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও ফটিকছড়ি আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর। বাবুনগর মাদরাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা। গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, সীমান্তবর্তী এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর প্রসঙ্গ তিনি বলেন, হুজুরের সঙ্গে আমাদের আত্মিক ও পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। দুর্যোগের সময় তিনি আমাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি আমার বড় ভাই শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর জানাজা পড়াতে ফটিকছড়ি থেকে রিকশা করে রাউজানের গহিরা গিয়েছিলেন। সেই আবেগ ও শ্রদ্ধার জায়গা থেকেই আমি আজ বাবুনগর মাদরাসায় এসেছি। সরোয়ার আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে এমনভাবে স্বাগত জানানো হবে যাতে ফটিকছড়ির মানুষের আশা-আকাঙ্খা ও দাবিদাওয়া তার কাছে আলাদাভাবে তুলে ধরতে না হয়। আন্তরিক অভ্যর্থনার মধ্য দিয়েই তিনি ফটিকছড়ির উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করবেন। তিনি বলেন, ফটিকছড়িতে একটি সরকারি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা, আরো কয়েকটি কলেজ সরকারিকরণ, তরুণদের জন্য উন্নত শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, ফটিকছড়ির গ্যাস স্থানীয় জনগণের ব্যবহারের ব্যবস্থা, ১৮টি চা বাগান ও ৪টি রাবার বাগানে গ্যাস সংযোগ এবং খাস জমিতে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পর্যায়ক্রমে উপস্থাপন করা হবে। মাদরাসার পক্ষে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর দৌহিত্র মাওলানা রহমত উল্লাহ জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে মাদরাসায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মাদরাসা মাঠে একটি প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে দেশের ৬৪ জন শীর্ষ আলেম উপস্থিত থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। তিনি বলেন, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হেফাজতে ইসলামের আমির ও দেশের অন্যতম প্রবীণ আলেম আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া গ্রহণ। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি সংশ্লিষ্ট নয়।

বাঁশখালীতে নতুন ঘর পাবেন দুর্গতরা : বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নতুন ঘর ও পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রামে পৌঁছে দুপুরে হেলিকপ্টারে বাঁশখালী উপজেলার বাহাছড়া ইউনিয়নে যাবেন তিনি। সেখানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারের কাছে নতুন ঘর ও চাবি হস্তান্তর পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা দেবেন। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বাহারছড়া সমুদ্র সৈকতে বিশাল মঞ্চ তৈরির কাজ চলছে। এ ছাড়া মঞ্চের ২শ’ মিটার দুরতে তৈরি করা হয়েছে দুইটি হেলিপ্যাড। তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে বাঁশখালীর বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পাসহ সিনিয়র নেতারা সফরস্থল পরিদর্শন করেছেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পৌরসভাসহ ৯টি ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে ১০টি করে মোট ১০০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১২ ফুট প্রস্থের প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি করে কক্ষ এর সঙ্গে থাকবে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার।

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় হাটহাজারীবাসী : প্রধানমন্ত্রীকে বরণের অপেক্ষায় হাটহাজারীবাসী। তার সফরকে ঘিরে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে উপজেলা প্রশাসন। ফটিকছড়ি থেকে সড়কপথে হাটহাজারীতে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসায় (হাটহাজারী মাদরাসা) যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও সাবেক মহাসচিব আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত করবেন। পরে বিকেল ৫টায় হাটহাজারী পার্বতি মডেল হাইস্কুল মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাঠে মঞ্চ নির্মাণের কাজ চলছে। জানা গেছে এর মধ্যে স্থানীয় প্রশাসন বন্যায় গৃহহীন পরিবারগুলোকে নতুন বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার কাজ প্রায় সম্পন্ন করেছে। সেসব বাড়ি প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্তদের বুঝিয়ে দেবেন। একইসঙ্গে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নেবেন ও সেখানে দুর্গতদের হাতে ত্রাণ তুলে দেবেন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিএনপি দলীয়ভাবেও ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিগত ২০০৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া হাটহাজারীতে আসেন। এবার আসছেন তারেক রহমান।