বড়বসন্তপুর প্রাইমারি স্কুলের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : আগস্ট ২২, ২০২৬, ৮:৪২ পূর্বাহ্ণ /
বড়বসন্তপুর প্রাইমারি স্কুলের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

কবির খান।

উপজেলার বড় বসন্তপুর ৬৫ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৮৯১ সালে আমাদের বাড়ি সংলগ্ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

সেই সময় বিদ্যালয়টির নিজস্ব কোনো ভবন ছিল না। আমাদের পূর্ব পুরুষদের বৈঠকখানাতেই বিদ্যালয়ের পাঠদান পরিচালিত হতো। দূর-দূরান্ত থেকে শিক্ষকরা এসে শিক্ষাদান করতেন।

নানা প্রতি কূল তাঁর কারণে তখন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও বিঘ্ন ঘটত পরবর্তীতে বিদ্যালয়টির স্থায়ী প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭৪ সালে আমার দাদা (মরহুম নুরুল হুদা খান) ও বাবা(মরহুম মশিয়ার রহমান খান) মহানুভবতার পরিচয় দিয়ে যথাক্রমে ৬৭ শতক এবং ৩২ শতক মোট ৯৯ শতক (প্রায় ১ একর, যাহার দলিল নং যথাক্রমে ১১৬০৫ ও ১১৬০৪) জমি দান করেন।

তাঁদের এই নিঃস্বার্থ অবদানের ফলে বিদ্যালয়টি আজ নিজস্ব জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে এবং দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অসংখ্য শিক্ষার্থীর শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, যথাযথ উদ্যোগ ও কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে আজও বিদ্যালয়টির নাম জমিদাতা পরিবারের নামে করা হয়নি। অথচ তাঁদের এই অবদান বিদ্যালয়ের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আমরা কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, ইতিহাসের প্রতি সম্মান ও একজন দাতার ন্যায্য স্বীকৃতির দাবিতে বিদ্যালয়টির নাম জমিদাতা পরিবারের নামে নামকরণের আবেদন জানাচ্ছি।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিদ্যালয়টির ইতিহাস সংরক্ষণ এবং জমিদাতার অবদানের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করুন।

কবির খান বলেন, প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, এই ন্যায্য জমি দাতার ওয়ারিশগুণের দাবি জমি দাতাদের নামে নাম করণ করার দাবী জানাচ্ছে এলাকাবাসী।