

বিজিবি‘র বিশেষ অভিযানে বিষাক্ত জেলি পুশ করা বিপুল পরিমাণ চিংড়ি মাছ (গলদা, বাগদা ও হরিনা) আটক।
গত ১৫ মে ২০২৬ তারিখ যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর একটি বিশেষ চৌকস আভিযানিক টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী জেলি পুশকৃত চিংড়ি মাছ ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ঝুমঝুমপুর এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি চালানো হয়।
এ সময় সাতক্ষীরা হতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী ০৪টি চিংড়ি মাছ বোঝাই ট্রাক সন্দেহজনক ভাবে তল্লাশির জন্য আটক করে। পরবর্তীতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, খামার ব্যবস্থাপক ও মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তার সমন্বয়ে সরেজমিনে পরীক্ষা করে ১.১ টন (১১০০ কেজি) গলদা, বাগদা ও হরিনা চিংড়িতে ক্ষতিকর জেলি পুশের প্রমাণ পাওয়া যায়।
জব্দ করা চিংড়ির আনুমানিক বাজার মূল্য ১১,০০,০০০/- (এগার লক্ষ) টাকা। জব্দকৃত জেলি পুশ করা চিংড়ি মাছ ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়াও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ট্রাক মালিকদেরকে ১,১০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
অপর একটি অভিযানে বেনাপোল আইসিপির বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকা হতে ০৯ টি শাড়ী, ০৪টি থ্রী-পিস, ০৪টি টু-পিস, ৫০০ গ্রাম জিরা, ০১ প্যাকেট ফুসকা, ২৪১টি চকলেট এবং ৩৬টি কসমেটিক্স সামগ্রী আটক করে। আটককৃত মালামালের সর্বমোট মূল্য ১২,০৩,২০০/-(বারো লক্ষ তিন হাজার দুইশত) টাকা।
এ ব্যাপারে যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান, চিংড়ি মাছে বিষাক্ত জেলি পুশ করা একটি মারাত্মক অপরাধ এবং এটি বন্ধে নিয়মিত দেশজুড়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি), সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, খামার ব্যবস্থাপক ও মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে আটক জেলি পুশকৃত চিংড়ি মাছ ধ্বংস করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও জনস্বাস্থ্যবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি‘র এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন :