

প্রধানমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে নিহত শিশুটির স্বজনদের খোঁজখবর নেন। পরিবারের সাথে কথা বলে তাদের সান্ত্বনা দেন। পাশাপাশি ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতিও খোঁজ নেন তিনি।
রাজধানীর পল্লবীতে হত্যার শিকার শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বাসায় পৌঁছান তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঘটনার সুষ্ঠু ও শিগগিরই তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। তিনি রামিসার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে নিহত শিশুটির স্বজনদের খোঁজখবর নেন। পরিবারের সাথে কথা বলে তাদের সান্ত্বনা দেন। পাশাপাশি ঘটনার সার্বিক পরিস্থিতিও খোঁজ নেন তিনি।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হলেন মো: আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তী সময়ে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা।
এদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :