

দেশের মানুষের কল্যাণে নিরলস পরিশ্রমের আরেক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত টানা প্রায় ১৬ ঘণ্টা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি ব্যতিক্রমী কর্মনিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন।
সকাল ঠিক ৯টায় সচিবালয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। দপ্তরে প্রবেশের পরপরই একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ নথি পর্যালোচনা, উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিমগ্ন করেন। সময়ের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগিয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজর কেড়েছে।
বিকেল সাড়ে ৩টায় তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দেন। সেখানে রাষ্ট্রীয় নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা, দিকনির্দেশনা প্রদান এবং জনগণের প্রত্যাশা প্রতিফলনে রাত ৮টা পর্যন্ত সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। একজন দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়কের দৃঢ় উপস্থিতি পুরো অধিবেশনজুড়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সংসদ অধিবেশন শেষে রাত পৌনে ৯টায় শুরু হয় মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠক। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, চলমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা চলে। বৈঠক শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টার দিকে।
দিনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শেষ হওয়ার পরও বিশ্রামে যাননি প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে আবারও নিজ দপ্তরে ফিরে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যান, যা তার দায়িত্ববোধ ও কর্মপ্রতিশ্রুতির আরেকটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, “সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টানা দায়িত্ব পালন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। সাধারণত প্রতিদিনই তিনি ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করেন, তবে আজকের কর্মঘণ্টা প্রায় ১৬ ঘণ্টায় পৌঁছেছে।”
আপনার মতামত লিখুন :