হজ এবং ওমরাহযাত্রীদের সুবিধার্থে ইতিহাসে মক্কায় প্রথম বিমানবন্দর হচ্ছে


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৪, ২০২৬, ৮:৫০ পূর্বাহ্ণ /
হজ এবং ওমরাহযাত্রীদের সুবিধার্থে ইতিহাসে মক্কায় প্রথম বিমানবন্দর হচ্ছে

সউদী আরব সরকার মক্কায় একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ অনুমোদন দিয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে হজ ও ওমরাহ পালনকারী লাখ লাখ যাত্রীর যাতায়াত অনেক সহজ, দ্রুত ও আরামদায়ক হবে।

মক্কা শহর ও পবিত্র স্থানসমূহের রাজকীয় কমিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আল-রশিদ জানিয়েছেন, বিমানবন্দরকে বৈশ্বিক মানের করার জন্য বিস্তারিত সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয়েছে এবং বিনিয়োগের নির্দেশনা অনুমোদিত হয়েছে।

প্রকল্পটি বেসরকারি খাতের সঙ্গে যৌথভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এতে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ পার্শ্ববর্তী বিমানবন্দরগুলোর অর্থনৈতিক ভারসাম্যে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। আবাসন, অবকাঠামো ও জনসেবা উন্নয়নের মাধ্যমে বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করা হবে। লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের সন্তুষ্টির হার ৯০.৫ শতাংশে উন্নীত করা।

স্মার্ট মক্কা কর্মসূচির আওতায় গ্র্যান্ড মসজিদ এলাকায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে চলাচল পর্যবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হবে। আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক ও ‘মক্কা ট্যাক্সি’ পরিষেবা চালু করা হবে। বর্তমানে মক্কার বাস নেটওয়ার্ক ১২টি রুটে ৪০০টি বাস দিয়ে ৪৩০টি স্টপে সেবা দিচ্ছে।

গ্র্যান্ড মসজিদের চারপাশে ৬০টি রক্ষণাবেক্ষণ ভবন ও ৩২টি বৈদ্যুতিক এসকেলেটর স্থাপন করা হবে। আরাফাত ময়দানে ১ লাখ ৯০ হাজার বর্গমিটার এলাকায় ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প, দ্বিতীয় তলা তাঁবু (৩৩ হাজার বর্গমিটার), মিনায় ১০টি আবাসিক টাওয়ার (ধারণক্ষমতা ২৭ হাজার হজযাত্রী) এবং ২০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নিরাপদ, দ্রুত ও আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।