চট্টগ্রাম-৭ সংসদীয় আসনে বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরীর প্রার্থিতা বৈধ বলে চূড়ান্ত ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের (ইসি)
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত আপিল শুনানি শেষে কমিশন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শুনানি পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় হুম্মাম কাদের চৌধুরী জানান যে, তার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে যে আপিল করা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, গত ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনে তার নাম ঋণখেলাপি হিসেবে ছিল না।
নিজের প্রার্থিতা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা ও সিআইবি প্রতিবেদন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে একটি আপিল করা হয়েছিল। তবে, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়, অর্থাৎ গত ২৯ ডিসেম্বর জমা দেওয়া কাগজপত্র অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনে তিনি ঋণখেলাপি ছিলেন না।” ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, “৮ জানুয়ারি সকালে হঠাৎ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাকে ঋণখেলাপি দেখানোর চেষ্টা করা হয় এবং সে দিনই নতুন একটি সিআইবি প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। ওই দিন রাতেই আমার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়। বিষয়টি ষড়যন্ত্র কিনা, তা দেশের মানুষের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দিচ্ছি।”
হুম্মাম কাদের চৌধুরী আরও উল্লেখ করেন যে, তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে ইস্যু করা সিআইবি প্রতিবেদনের ওপর উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ রয়েছে। সেই আইনি বাধ্যবাধকতা আমলে নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বাধীন কমিশন তার প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দিয়েছে এবং এতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য যে, নির্বাচন কমিশন আজ সকাল থেকে ৩৮১ থেকে ৪৮০ নম্বর পর্যন্ত আপিল আবেদনের শুনানি গ্রহণ করছে, যা বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলমান থাকবে।