নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা আরও জানান, আগের সীমিত হামলার তুলনায় এবারের পরিকল্পনা আরও বিস্তৃত ও জটিল। কেবল পারমাণবিক স্থাপনাই নয়, ইরানের রাষ্ট্রীয় ও নিরাপত্তা স্থাপনাগুলোও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। মঙ্গলবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ওমান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখছে। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সতর্ক করে বলেছেন, সমঝোতায় পৌঁছানো সহজ হবে না।
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। অতিরিক্ত একটি বিমানবাহী রণতরী, হাজার হাজার সেনা, যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ার পাঠানো হয়েছে বলে পেন্টাগন জানিয়েছে।
এদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। বর্তমানে জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এর আগে, ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলে তা ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।
ইরান বলছে, নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করবে না।



আপনার মতামত লিখুন :