দীর্ঘ ১৫ বছর পর ব্রিটেনের বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেক নেতৃবৃন্দ, বিএনপিসহ অনেক রাজনৈতিক দলের নেতারা, অনেক সাংবাদিক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দাওয়াত পেয়েছেন। যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত ৪ এপ্রিল, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে এই দাওয়াত পাওয়াকে কেন্দ্র করে কমিউনিটিতে চলছে ব্যাপক আলোচনা। অনুষ্ঠানটি সেন্ট্রাল লন্ডনের কপথর্ণ তারা হোটেলে ৪ এপ্রিল রাতে হবে।
যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক, সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদসহ তাদের দলের শীর্ষ নেতারা অনেকেই দাওয়াত পেয়েছেন এবং এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দাওয়াত পেয়েছেন তাই দলীয়ভাবেই তারা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিবেন।
এদিকে, দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাওয়ায় অনেকেই অনভ্যস্ত হয়েছেন, কেউ বিস্মিত হয়েছেন। দাওয়াতপত্র শেয়ার করেছেন ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
ব্রিটেনের নামকরা আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজির হোসেন ফেসবুকে দাওয়াতপত্র শেয়ার করে লিখেছেন, দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে দাওয়াত পেলাম। বিগত ১৫/১৬ বছর হাইকমিশনকে একেবারে দলীয় কার্যালয় বানিয়ে ফেলা হয়েছিল। কমিউনিটির ভাল ও সম্মানিত মানুষজন/লোকগুলো দাওয়াত পেতো না। দাওয়াত পেতো দলীয় চোকরারা যাদের অনেককে পূর্ব লন্ডনের বিভিন্ন পার্কে/জায়গায় ভবঘুরে অবস্থায় দেখতাম!আন্তরিক ধন্যবাদ হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম এবং ডেপুটি হাইকমিশনার হযরত আলী খান সাহেবকে।
সাবেক হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিমের সময় যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনকে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় বানিয়ে ফেলার অভিযোগ ছিল। সাঈদা মুনা তাসনিম ৫ আগস্টের পরদিনই, হাই কমিশন থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়ে ফেলেন। গণহত্যার জন্য আওয়ামী লীগের বিচার দাবি করেন। তবে তার এই চাটুকারিতা তাকে রক্ষা করতে পারেনি। তাকে হাইকমিশনের দায়িত্ব থেকে অপসারণ করে বাংলাদেশে ফেরত নেয়া হয়।