যশোরের চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের ভূমি অফিস এখন সেবা প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত হয়েছে। নায়েব জাহিদুল ইসলাম (লিপ্টন ) নিজের ইচ্ছামত অফিস চালাচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভূমি অফিসে চত্বরে ভিতরে সেবা প্রতিষ্ঠান থাকবে না।
অথচ নায়েব তার ইচ্ছামত একজন (ইমরান হোসেন) কে অফিসে বসিয়ে তার মাধ্যমে নামজারি রিপোর্ট খাজনা আদায়ের কমিশন আদায় শুরু করেছে। নিয়ম আছে অফিস চত্বরে বাহিরে ভূমি সহায়তা কেন্দ্র থেকে সাধারণ জনগণ এই সেবা গ্রহণ করবে।
নায়েব জাহিদুল ইসলাম (লিপ্টন) এর অত্যাচারে অতিষ্ঠিত পাতিবিলা ইউনিয়নবাসী। তার বাড়ি নারায়নপুর হাওয়ায় দূরত্ব চার কিলোমিটার স্থানীয় অধিপত্য দাপট, এলাকাবাসীর গুলোর কাজটি তার রোসানলে পড়ে। তরিকুল ইসলাম (মাস্টার) পাতিবিলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা দিতে গিয়ে নানা রকম হয়রানির শিকার হয়। পরবর্তীতে ঝামেলা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সেই যাত্রায় রেহাই পান
সৈয়দ আলী (প্রাক্তন ইউপি সদস্য) খতিয়ান অনলাইনে অনেক ভোগান্তির পর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কাজটি শেষ হয়। রুস্তমপুর গ্রামের (রনি হোসেন) নামজারি রিপোর্টের নানা ভোগান্তির পর দুই হাজার টাকা দিয়ে রিপোর্ট শেষ করে। সাদীপুর গ্রামে (বিল্টু) নামজারি রিপোর্ট নিতে গিয়ে একজোড়া জুতা শেষ করে রিপোর্ট পায়। পাতিবিলা ইউনিয়নবাসীর প্রশ্ন জাহিদুল ইসলামের খুটির জোর কোথায়??