ঘড়িতে তখন সকাল ৯টা। হঠাৎ সাইরেনের শব্দ, কেঁপে উঠেছিল দক্ষিণ ইসরাইলের নেগেভ মরুভূমি। বৃহস্পতিবার সকালে ৪.২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে এই এলাকায়। এই কম্পন কি প্রাকৃতিক নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আরও গভীর কোনও রহস্য? ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এ দিন সকালের এই ভূমিকম্প উস্কে দিয়েছে জল্পনা— তবে কি গোপনে পরমাণু বোমার পরীক্ষা চালাল ইসরাইল?
সন্দেহের কেন্দ্রে রয়েছে ‘ডিমোনা নিউক্লিয়ার ফেসিলিটি’। এ দিনের ভূমিকম্পের উৎসস্থলটি ছিল ইসরাইলের এই অতি গোপনীয় পরমাণু কেন্দ্রের ঠিক কাছেই। আরও বিস্ময়ের হলো, ঠিক যে সময়ে কম্পন অনুভূত হয়, সেই সময়েই দেশজুড়ে চলছিল ছাত্র-ছাত্রীদের জরুরি অবস্থার মহড়া বা ইমার্জেন্সি ড্রিল। এই কাকতালীয় ঘটনা জল্পনার পালে আরও হাওয়া দিয়েছে।
অনেকে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করছেন এ দিনের কম্পনের গভীরতা এবং তার সময়কাল। মাটির মাত্র ১০ কিমি গভীরে ঘটা এই কম্পনের স্থায়িত্ব ছিল ১.৫ সেকেন্ড। সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ‘লো-ইল্ড’ বা স্বল্প ক্ষমতার নিউক্লিয়ার টেস্টের সময়ে যে ধরনের কম্পন হয়, তার সঙ্গে এই তথ্য হুবহু মিলে যাচ্ছে।
এ দিকে, এ দিনই ইসরাইলে ভ্রমণ করার বিষয়ে নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করে যুক্তরাষ্ট্র নও যুক্তরাজ্য। এই নির্দেশিকা যদিও ইরান-আমেরিকার মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষিতে জারি করা হয়েছে। তবে নেটিজেনদের একাংশ মনে করছে, এই নির্দেশিকার পিছনেও পরোক্ষে নেগেভ মরুভূমির ভূমিকম্পই রয়েছে। সূত্র: টিওআই।