পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে শ্রম রফতানি করতে চায় সরকার : মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় কালে প্রধানমন্ত্রী
‘মালয়েশিয়ার রাস্তাঘাট খুবই পরিষ্কার। এই পরিষ্কার আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরাও করছে। বিদেশে এত পরিষ্কার করতে পারলে দেশে কেন পারব না?’
বাংলাদেশ সরকার পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে শ্রমিক পাঠাতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (২১ জুন) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের ‘শাংগ্রি লা’ হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাথে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি তার কিছু চিন্তাভাবনা শেয়ার করতে চান। সবশেষ ২০১৪ সালে মালয়েশিয়ায় তারেক রহমান তার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে দেখতে এসেছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ার রাস্তাঘাট খুবই পরিষ্কার। এই পরিষ্কার আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরাও করছে। বিদেশে এত পরিষ্কার করতে পারলে দেশে কেন পারব না?’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন নির্বাচিত হই তখন প্রথম দিকেই মালয়েশিয়া সরকারের প্রধান ড. আনোয়ার ইব্রাহিম ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি আমাকে তার দেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সোমবার তার সাথে বৈঠক হবে।’
আলোচনা কী হবে এটা নিয়ে বেশ কৌতূহল আছে সবার। প্রথমেই এখানে বহু শ্রমিক কাজ করছে। শ্রমবাজার কিভাবে আবার খুলতে পারি তা মূল আলোচনায় থাকে। নানা কারণে দুই হাজারের মতো মানুষ মালয়েশিয়ায় আটকে আছে। তাদেরকে কিভাবে মুক্ত করা যায়, সেই পথ খোঁজা হবে,’ বলেন তিনি।
এর আগে রোববার মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি সফরে কুয়ালালামপুরে পৌঁছান। তার সাথে আছেন সহধর্মিণী ডা: জুবাইদা রহমান।
কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেয়া হয়। সুসজ্জিত বাহিনীর দেওয়া গার্ড অব অনারের সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।
এর আগে বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান ও তার সহধর্মিণী। ছোট শিশু মাইসা নুর আইশা ফুল দিয়ে জুবায়দা রহমানকে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী ও ডেপুটি হাইকমিশনার সাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।