বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোর ৮৫/১ আসন শার্শায় নির্বাচনে আচরন বিধী লঙ্ঘনের অভিযোগে জামাত ইসলামের এক কর্মীকে ১০০০ টাকা অর্থ দন্ড করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এছাড়া বিএনপির এক কর্মী জামাত কর্মীদের হাতে মারধোর ও আর এক বিএনপি কর্মী ছুরিকাঘাতে কিছুটা জখম হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১২ ফেব্রুয়ারী);দুপুর ১ টায় বেনাপোল ইউনিয়নের গয়ড়া গ্রামে বিএনপি কর্মী আহতের ঘটনা ও শার্শার বাঁগআচড়ায় জামাত কর্মীকে অর্থদন্ড করা হয়।
আহত বিএনপি কর্মী বেনাপোল ইউনিয়নের গয়ড়া গ্রামের আব্দুল কাদের মোড়লের ছেলে জসিম উদ্দীন(৩২) এবং একই গ্রামের তমিজদ্দীনের ছেলে আলী হোসেন।
অর্থদন্ডের শিকার জামাত কর্মী শার্শার বাগঁআচড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রুহুল কুদ্দুস রাজু।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ফজলে ওয়াহেদ বিকাল ৩ টায় জানান, আচারন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জামাতের এক কর্মীকে অর্থদন্ড দেওয়া হয়।
বিএনপির দুই কর্মী আহতের বিষয়ে বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের উপপরিদর্শক পবিত্র কুমার শীল জানান, বিএনপি ও জামাত কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার কারনে হামলায় বিএনপির দুই কর্মী আহত হয় জানতে পেরে আইন শৃ্ঙ্খলাবাহিনীর অনান্য সদস্যরা ঘটনা স্থলে এসে পরিবেশ নিয়ন্ত্রনে নেয়।
এদিকে জামাত কর্মীদের বিরুদ্ধে মারধোরের অভিযোগ নিয়ে জামাত নেতারা বলেন, ঐ বিএনপি কর্মী দৌড়াতে গিয়ে পড়ে যেয়ে আঘাত পায়। তাকে কেউ ছুরি মারেনি।
জানা যায়, এবার যশোর ১ আসন শার্শায় ৪টি দলের প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করছে। আসনটিতে ধানের শিষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন, জামাতের মাওলানা আজিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের বকতিয়ার রহমান ও জাতীয় পার্টির চঞ্চল আহম্মেদ। সকাল ৯ টার মধ্যে প্রার্থীরা নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট দেন।
ধানের শিষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন বলেন, ভোটের আগের দিন রাতে জামাত নেতারা ভোট কিনতে টাকা ছড়িয়েছে এবং ভোটের দিন কয়েকজন কর্মীকে মারধোর করেছেন। কিন্তু তার কর্মীদের শান্ত থাকতে বলেছেন। ভোটাদের উপস্থিতি নিয়ে সন্তোস প্রকাশ করেন।
জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান জানান, তার কয়েকটি সেন্টারে বিএনপি কর্মীরা জামাত কর্মীদের ভোট প্রদানে বাঁধা গ্রস্থ করেছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট প্রদান হবে। ১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে না পেরে এবার তারা উৎসাহ নিয়ে ভোট কেন্দ্রে ছুটছে মন্তব্য করেন।
শার্শা আসনটি একটি পৌরসভা ও ১১ ইউনিয়ন মিলে গঠিত। মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ১১ হাজার ৬৩৩ জন,নারি ভোটার ১৫৫,৮২৩ জন, পুরুষ ভোটার ১ ৫৫,৮০৭ জন এবং তৃতীয় লিংগের ৩ জন।