চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেছেন, ভোটারদের হুমকি দিলেই তাৎক্ষণিক কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ ধরনের অভিযোগ থাকলে আপনারা সুনির্দিষ্টভাবে নাম জানাবেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর দেশে প্রকৃত নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনে যারা ডিস্টার্ব করবে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না, সে যেই হোক না কেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে চৌগাছা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর আহমদের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে হাজারও শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছি। সে কারণে আবারও কোনো ফ্যাসিবাদের জন্ম যেনো না হয়, সে কারণে গণভোটের ব্যবস্থা। যারা মানুষকে ভোটদানে বিরত রাখতে চায়, তারা মূলত ফ্যাসিবাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়।
তিনি বলেন, সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং গোয়েন্দা বিভাগ ফ্যাসিবাদের দোসরদের তৎপরতা রুখে দিতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আপনাদের এখানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে। অনুরোধ, এ ধরনের মামলার বিষয়ে কোনোরকম তদবির করবেন না। এসব তদবির রাখা হবে না।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ আলী, সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোশাব্বির হুসাইন, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা নুরুল ইসলাম, মাস্টার কামাল আহমেদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, এবি পার্টির প্রার্থী রিপন মাহমুদ, বাসদ’র প্রার্থী ইমরান খান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক রাশেদুল ইসলাম রিতম, সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খান, সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, মঞ্জুরুল আলম লিটু প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন চৌগাছা থানার ওসি (তদন্ত) রুহুল আমিন সরকার, প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ওবায়েদুল্লাহ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুর রশিদ, উপজেলা নির্বাচন কর্মকতা এসএম রোমেল সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষকরা।