গ্রেপ্তার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে তার দোকান থেকে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ৬টি ভোটের সীল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল জব্দ করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তার তথ্যের ভিত্তিতে ও হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন, ভয়েস ম্যাসেজের প্রমাণের ভিত্তিতে জামায়াত নেতা শরীফকেও মামলার আসামি করা হয়। শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারী ও দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে।
এদিকে, সীল জব্দের ঘটনায় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিএনপি ও জামায়াত পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সীলকাণ্ডের সঙ্গে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতাসহ আটক সোহেলকে জামায়াতের কর্মী বলে দাবি করেন। পরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নয় বলে দাবি করেন।
জেলা জামায়াতের আমীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা শরীফকে দল থেকে বহিষ্কার করেছি। বহিষ্কারের প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমী বলেন, দুইজনের নামে মামলা করা হয়েছে। আটক সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে আদালতের মাধ্যমে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হবে।
