

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সার্বিকভাবে বর্তমান সরকার দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং এবং আর্থিক অপরাধ দমনের বৃহত্তর কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। অর্থ পাচারের গন্তব্য দেশসমূহের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১০ টি দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমীরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং-চীন) মধ্যে তিনটি দেশের (মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমীরাত) সাথে চুক্তি স্বাক্ষরে সম্মতি এবং অপর ৭টি দেশের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।
গতকাল জাতীয় সংসদে এমপিদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে আধা ঘণ্টা নির্ধারিত ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরের জন্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এটাই ছিল প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব। জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি নির্বাচিত সরকার। আমরা অতীতে দেখেছি, সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের বিভিন্ন রকমের ইচ্ছা-আগ্রহের কারণে দেশের আইন-কানুন-নীতি-নৈতিকতার তোয়াক্কা না করে যাকে যে কোন জায়গা থেকে উঠিয়ে নিয়ে গেছে, যার কাছে থেকে যেরকম মনে হয়েছে জোর করে লিখিয়ে নিয়ে গেছে। বর্তমান সরকার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, বর্তমান সরকার দেশের প্রচলতি আইন মেনে কাজ করতে চায় এবং আইনের ভিত্তিতে বিচার করতে চায় যাতে করে কোনো মানুষ ন্যায্য আইন থেকে বঞ্চিত না হয়। সেকারণেই আইনগতভাবে আমরা সকল প্রক্রিয়া গ্রহণ করব। আইন তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে তাদের শাস্তি যারা এদেশের জনগণের অর্থ তসরুফ করেছে বা এদেশের জনগণের অর্থ পাচার করেছে।
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান অর্থপাচারকারীদের কোনো তালিকা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় করছে কিনা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অন্যায়ের (বিদেশে অর্থ পাচারের) সাথে যারা জড়িত এর তালিকা করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নয়। এই তালিকা করার দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের, তারা এটি করছে।
এর আগে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্য মতে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশ থেকে অবৈধ অর্থ প্রবাহের পরিমাণ আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ কোটি টাকা। পাচারকৃত এই অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ সনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ‘পারস্পরিক আইনগত চুক্তি’ সম্পাদন এবং বিনিময় প্রক্রিয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নেতৃত্বে আন্তঃসংস্থা টাস্ক ফোর্স গঠন এবং টাস্ক ফোর্স কর্তৃক চিহ্নিত অগ্রাধিকার প্রাপ্ত মামলাগুলো অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে এবং পুলিশের সিআইডি ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, শুল্ক গোয়েন্দ ও তদন্ত অধিদফতরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে তারেক রহমান এই প্রথম প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রথম প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সিলেট-২ আসনের এমপি মোছা. তাহসিনা রুশদীর। তার প্রশ্নটি ছিলো, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত বিভিন্ন কার্যক্রমসমূহে কি কি অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
এ প্রশ্নের জবাব দিতে উঠলে সরকারি দলের এমপিরা টেবিল চাপড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানায়। এই সময়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ বিরোধী এমপিরা সরকারি দলের সাথে টেবিল চাপড়াতে দেখা যায়।
তাহসিনা রুশদীর প্রথম প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি যথাক্রমে ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মগুরুদের সম্মানি ভাতা, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণসুদসহ মওকুফ, খাল খনন প্রভৃতি অঙ্গীকার শুরুর কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আগামী পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড প্রদান শুরুর কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৮টি বিভাগের ১০ টি জেলার ১১ টি উপজেলায় এই পাইলটিং প্রকল্প শুরু হবে। প্রথমদিন প্রায় ২২ হাজার কৃষক এই প্রকল্পের আওতায় কার্ড পাবেন। এরপর দেশের ২ কোটি ৭০ লক্ষ কৃষককে পর্যায়ক্রমে কার্ড দেয়া হবে। একই সঙ্গে ই-হেলথ কার্ড, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, চলতি অর্থ বছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯ হাজার শিক্ষককে ট্যাব প্রদান, ৩৮৩২ টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম স্থাপন, ৪১৮ টি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, ক্রীড়াবিদদের ‘ক্রীড়া ভাতা’ চালু, ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় জামানত বিহীন ১০ লাখ টাকা ঋণ প্রদান, সারাদেশে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন প্রভৃতি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন যে কতজন মানুষের কাছে আমরা কৃষক কার্ড পৌঁছে দেব এবং এতে মূল্যস্ফীতি হবে কিনা আর এর বাজেট কত? স্বাভাবিকভাবে বাজেট কত এটি আমরা আপনাদেরকে এখনই বলছি না। অর্থাৎ আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে জিনিসগুলোকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব। আমাদের একেকটি কৃষক কার্ড এবং একেকটি ফ্যামিলি কার্ডে আমরা রেখেছি কৃষক কার্ড যারা পাবেন সেই সকল কৃষক আড়াই হাজার টাকা পাবেন এবং ফ্যামিলি কার্ড যারা পাবেন তারা সে সকল নারী প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা পাবেন। আমরা যেহেতু প্রতি মাসে এটিকে এক্সটেন্ড করতে থাকব। অর্থাৎ অধিক সংখ্যক নারীও কার্ড পাবেন, অধিক সংখ্যক কৃষক পর্যায়ক্রমে কার্ড পাবেন। সেজন্য প্রতিবছরই আমরা বাজেটে বরাদ্দ বাড়াবো। প্রতিবছরই বাজেটে আমরা টাকা বরাদ্দ বড়াবো। এভাবেই পর্যায়ক্রমিকভাবে ধীরে ধীরে আমরা এগোব।
তিনি বলেন, আপনি যেটা বলেছেন মূল্যস্ফীতি হবে কিনা? আমরা টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না। আমরা যেহেতু টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না কাজেই মূল্যস্ফীতি হবে না। বরং আমরা মনে করি এই টাকাগুলো যখন মার্কেটে যাবে যারা কৃষক কার্ড পাচ্ছেন সেই সকল কৃষক, যারা প্রান্তিক পর্যায়ে নারীরা যারা পাচ্ছেন টাকা নিশ্চয়ই তারা সিঙ্গাপুরে বা বিভিন্ন দেশে টাকা পাচার করবে না। সেই টাকা লোকাল অর্থনীতিতে তারা খরচ করবেন। একজন নারী স্বাভাবিকভাবে সেটি দিয়ে তার সন্তানের লেখাপড়ার পিছে খরচ করবেন অথবা সেটি তার সন্তান বা পরিবারকে একটু ভালো খাবারের ব্যবস্থা করবেন অথবা তিনি লোকালি কোন ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন। ফলে যেটা হচ্ছে যেই টাকাটা সরকারের কাছ থেকে তার কাছে যাচ্ছে সেই টাকাটা লোকাল ইকোনমিকে শক্তিশালী করছে। ফলে লোকাল ইকনমি আস্তে আস্তে শক্তিশালী হবে, লোকাল ইকোনমি আস্তে আস্তে বড় হবে। কাজেই মূল্যস্ফীতি হবে বলে আমরা মনে করি না। আমাদের কোন রিসার্চে মূল্যস্ফীতি হবে বলে না। বরং অর্থনীতি আরো সচল হবে, লোকাল যে সকল ইন্ডাস্ট্রি আছে সেগুলোকে আর ভাল করার এটি আরেক একটি উপায় এবং তার ফলে যেটি হবে সামগ্রিকভাবে ডিপ্রাইভ যে সকল মানুষ আছে,আমি বলছি না যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে এটি হবে। তবে ইনশাল্লাহ তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে আপনি যে পরিবর্তনটি দেখবেন যারা প্রান্তিক গোষ্ঠীর মানুষ তাদের জীবনযাত্রার মান ইনশাআল্লাহ অনেক উন্নত হবে।
এবিএম মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে কেনো ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হচ্ছে এবং নারীদের ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করা হচ্ছে তার কারণ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল দর্শনই হচ্ছে, ব্যক্তি নয়, বরং পরিবারের উন্নয়নই মূল একক।
এবিএম মোশাররফ হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে যে বাংলাদেশের জনগণই হচ্ছে তাদের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার শক্তি ও উৎস। এরই ভিতরে আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি যে আমরা বাংলাদেশের মানুষের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সেই প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন প্রাথমিক কাজ বর্তমান সরকার শুরু করেছে এবং যেহেতু আমরা বিশ্বাস করি, জনগণই আমাদের সকল ক্ষমতার উৎস, যেহেতু আমরা বিশ্বাস করি জনগণের কাছে আমরা যে ওয়াদা করেছি সেটি পূরণে আমরা বদ্ধপরিকর। সেজন্যেই বাংলাদেশের জনগণ যাদেরকে নির্বাচিত করেছে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সেই নির্বাচিত সদস্যদের মাধ্যমে সারাদেশের নির্বাচিত সদস্যদের মাধ্যমে আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে আমাদের সকল কর্মসূচি ইনশাআল্লাহ বাস্তবায়ন করব। আপনার প্রশ্নের রেশ ধরেই বলতে চাই। আমরা অতীতে দেখেছি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিভিন্ন রকম কমিটমেন্ট করেছিল নির্বাচনের আগে। আপনি দুই একটি কথা উল্লেখ করেছেন। কেউ কেউ বিভিন্ন রকম টিকিটও বিলি করেছিল। তবে বিগত নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতি জনগণ যে সমর্থন দিয়েছে, যে ম্যান্ডেট দিয়েছে তাতে পরিষ্কারভাবে প্রমাণিত হয় বাংলাদেশের মানুষ এই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ যে সকল পরিকল্পনা আপনাদের এই মহান জাতীয় সংসদে আপনার মাধ্যমে আমি উপস্থাপন করেছি সেই সকল পরিকল্পনার প্রতি বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন আছে। এই সময়ে সরকারি দলের সদস্যরা মুহুর্মুহুভাবে টেবিল চাপড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একই সাথে প্রমাণিত হয় বিগত নির্বাচনের ম্যান্ডেটের মাধ্যমে জনগণের বিএনপি প্রীতি যে ম্যান্ডেট দিয়েছে তার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় বাংলাদেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের উপর আস্থা রেখেছে, তাদেরকে বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে। মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে পরিষ্কারভাবে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে বলতে চাই যে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের মানুষের কাছে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতি পালনের চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।
নেত্রকোনা-৫ আসনের এমপি মাসুম মোস্তফার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের এইরকম কোন শ্রমিকদের জন্য কার্ড দেবার পরিকল্পনা নেই। তবে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের যে সকল অর্থ আছে শ্রমিকদের জন্য শ্রমিকদের কল্যাণের জন্য, অবশ্যই সেই অর্থগুলি সত্যিকারভাবে শ্রমিকদের জন্য ব্যয় করা হচ্ছে কিনা আমরা সেটিকে অবশ্যই খোঁজখবর করব। আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব যে সত্যিকারভাবে অন্য কোন কিছুর পিছনে যাতে সেই অর্থ ব্যয় না হয় বরং সেই অর্থ যাতে সঠিকভাবে সত্যিকারভাবে শ্রমিকদের কল্যাণের জন্যই ব্যয় করা হয়Ñ আমাদের সরকারের এটি থাকবে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাহসিনা রুশদী ছাড়াও আরও ৫জন সংসদ সদস্য যথাক্রমে পটুয়াখালী-৪ আসনের এবিএম মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৯ আসনের আবুল কালাম, ঢাকা-১৯ আসনের দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, কুড়িগ্রাম-২ আসনের আতিকুর রহমান মোজাহিদ ও নরিসংদী-৫ আসনের মো. আশরাফ উদ্দিন।
আপনার মতামত লিখুন :