২ পুলিশ সদস্যকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর বিএসএফ'র। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) শশীদল বিওপির কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, দেবিদ্বার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিন, ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন এবং শশীদল বিওপির কমান্ডার সুবেদার মোহাম্মদ তাকবীর হোসেন।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান ও কনস্টেবল রোহিতকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নারায়ণপুর সীমান্তের ২০৫৭ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
জানা গেছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারের অভিযানে গিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন ওই দুই পুলিশ সদস্য।
এ সময় ভারতীয় চোরাকারবারিদের হাতে তারা আটক হন। পরে তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) শশীদল বিওপির কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, দেবিদ্বার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিন, ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন এবং শশীদল বিওপির কমান্ডার সুবেদার মোহাম্মদ তাকবীর হোসেন।
দেবিদ্বার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিন বলেন, মাদকের এক আসামিকে ধরতে গিয়ে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি জানার পর বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর বিএসএফ তাদের কাছে দুই পুলিশ সদস্যকে হস্তান্তর করে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম বলেন, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ব্রাহ্মণপাড়া থানার দুই পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাদের হস্তান্তর প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল সীমান্ত থেকে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান ও কনস্টেবল রোহিতকে রতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ধরে নিয়ে যায়।