সাভারে চাঞ্চল্যকর ৬ খুনের খুনি ভবঘুরে ছদ্মবেশী কিলার সম্রাট আটক


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ /
সাভারে চাঞ্চল্যকর ৬ খুনের খুনি ভবঘুরে ছদ্মবেশী কিলার সম্রাট আটক
  • সাভারে চাঞ্চল্যকর ৬ খুনের খুনি ভবঘুরে ছদ্মবেশী কিলার সম্রাটকে আটক, জবানবন্দি শেষে কারাগারে প্রেরণ

সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পরিত্যক্ত ভবনে ছয় খুনের ঘটনার নেপথ্যে গ্রেপ্তার ভবঘুরে মশিউর রহমান খান সম্রাট ওরফে ‘সাইকো সম্রাট’ একজন ‘ছদ্মবেশী কিলার’ বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও গ্রেপ্তার সম্রাট ছাড়া আরও কেউ এতে জড়িত কি না, তা জানতে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে গতকাল তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়। তদন্ত কর্মকর্তা কোর্ট পরিদর্শক কামাল হোসেনের আবেদনে গতকাল রাতে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ জবানবন্দি রেকর্ড করে সম্রাটকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিকে খুনের শিকার ছয়জনই ভবঘুরে শ্রেণির বলে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপারেশন অ্যান্ড ট্রাফিক) আরাফাতুল ইসলাম। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে সাভার মডেল থানায় ওই সংবাদ সম্মেলন করা হয়। কী কারণে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড তা উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে গ্রেপ্তার সম্রাটের রিমান্ডে নেওয়া জরুরি বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গ্রেপ্তার মশিউর রহমান খান সম্রাট সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক কলোনির মৃত সালামের ছেলে। সে সাভারের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াত। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, সম্রাট ভবঘুরে প্রকৃতির। সে সাভার পৌর মডেল মসজিদের পাশে আসমা নামে এক বৃদ্ধাকে প্রথমে খুন করে। গত ২৯ আগস্ট রাতে সে সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে হাত-পা বেঁধে এক যুবককে হত্যা করে।

এরপর ১১ অক্টোবর রাতে আবারও সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারের ভিতর থেকে অজ্ঞাত (৩২) এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর ১৯ ডিসেম্বর দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা রোডে মহল্লার পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলার টয়লেটের ভিতর থেকে এক পুরুষের পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ তিনটি ঘটনার পর সাভার পৌর কমিউনিটি সেন্টারে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। সেই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে আসামি সম্রাটকে শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় পুলিশ সুপার আরও বলেন, আসামি হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না তা তদন্ত করা হচ্ছে।