

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ল্যাপটপে একটি বাটন টিপলেন, আর সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ সারা দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন প্রান্তিক কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেল আড়াই হাজার টাকা।
আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ ও ‘প্রি-পাইলটিং’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এভাবেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ১৫ জন কৃষক-কৃষাণীর হাতে স্মার্ট ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেন। এর মাধ্যমে দেশে আধুনিক ও ডিজিটাল কৃষি ব্যবস্থাপনার এক নতুন দিগন্ত সূচিত হলো। টাঙ্গাইল জেলার ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক আজ সরাসরি এই প্রকল্পের সুফল ভোগ করেন।
অনুষ্ঠানস্থলে সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবেশ করলে পুরো স্টেডিয়াম করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। তিনি হাত নেড়ে সমবেত জনতাকে শুভেচ্ছা জানান। পবিত্র কোরআন পাঠের পর মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী যাদের হাতে কার্ড তুলে দেন তারা হলেন—মো. আবু কায়সার, মো. রোমান, শাহনুর আলম, শাহ আলম, জুলেখা আখতার, নাসিমা খানম সুমনা, শিল্পী, আমেনা বেগম, নবাব আলী, মোহাম্মদ আলী, কবির হোসেন, মনোয়ারা আখতার, শামীমা আখতার, লায়লা বেগম এবং তাহমিনা।
কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন।
এছাড়াও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি এবং কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সেলিম খান।
বক্তারা বলেন, প্রযুক্তির এই সংযোজন দেশের কৃষি খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। পুরো স্টেডিয়াম এবং গ্যালারি জুড়ে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি এই আয়োজনকে এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত করেছিল।
আপনার মতামত লিখুন :