যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা পূর্বাভাস ভুল


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : মে ২১, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ /
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা পূর্বাভাস ভুল

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা পূর্বাভাস ভুল: যুদ্ধবিরতির মাঝেই দ্রুত সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ইরান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ক্ষত কাটিয়ে আশাতীত দ্রুত গতিতে নিজেদের সামরিক শিল্প ও শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান।

মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে সিএনএন-এর এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য সামনে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে তেহরান ইতিমধ্যেই তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন পুনরায় শুরু করেছে, যা ওয়াশিংটনের প্রাথমিক অনুমান ও সময়সীমাকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত করেছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার (IC) কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে সিএনএন জানিয়েছে, ইরান তাদের যুদ্ধপূর্ব সামরিক সক্ষমতায় ফিরে যেতে গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের নির্ধারিত সমস্ত সময়সীমা ছাড়িয়ে গেছে। একজন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “ইরানিরা পুনর্গঠনের জন্য আমাদের দেওয়া সব টাইমলাইন পার করে গেছে।”

মার্কিন গোয়েন্দাদের আগের ধারণা ছিল এই ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ইরানের দীর্ঘ সময় লাগবে। তবে বর্তমান গতি বজায় থাকলে আগামী মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই ইরান তাদের ড্রোন হামলার পূর্ণ সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, ইরান মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও লঞ্চারগুলো উদ্ধার করে পুনরায় সচল করছে। সিএনএন-এর সূত্র অনুযায়ী, মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার পরও ইরানের প্রায় ৫০ শতাংশ ড্রোন এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থা এখনো অক্ষত রয়েছে।

রাশিয়া ও চীনের প্রচ্ছন্ন মদদ: মার্কিন গোয়েন্দারা ইরানের এই অভাবনীয় গতির পেছনে রাশিয়া ও চীনের বড় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, রাশিয়া কাস্পিয়ান সাগরের নৌপথ ব্যবহার করে ইরানে ড্রোনের যন্ত্রাংশ পাঠাচ্ছে।

অন্যদিকে চীন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানকে বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল সরবরাহ করে আসছে। এমনকি যুদ্ধের সময় মার্কিন ঘাঁটির স্যাটেলাইট ইমেজ দিয়েও বেইজিং তেহরানকে সাহায্য করেছে বলে ওয়াশিংটন দাবি করেছে।

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: এই পুনর্গঠনের খবর এমন এক সময়ে এলো যার মাত্র একদিন আগে (বুধবার) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান যদি শান্তি চুক্তিতে না আসে তবে ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর পুনরায় সামরিক হামলা চালাতে প্রস্তুত। তবে চুক্তি বা জবাবের জন্য ওয়াশিংটন আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে পারে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যেভাবে দ্রুত নিজেদের অস্ত্রাগার সাজিয়ে তুলছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র যদি পুনরায় সামরিক অভিযান শুরুও করে, তবুও ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের জন্য এক বড় ধরনের হুমকি হিসেবেই থেকে যাবে। এই বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও পেন্টাগন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা পূর্বাভাস ভুল: যুদ্ধবিরতির মাঝেই দ্রুত সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ইরান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ক্ষত কাটিয়ে আশাতীত দ্রুত গতিতে নিজেদের সামরিক শিল্প ও শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে সিএনএন-এর এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য সামনে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে তেহরান ইতিমধ্যেই তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন পুনরায় শুরু করেছে, যা ওয়াশিংটনের প্রাথমিক অনুমান ও সময়সীমাকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত করেছে।

করে সিএনএন জানিয়েছে, ইরান তাদের যুদ্ধপূর্ব সামরিক সক্ষমতায় ফিরে যেতে গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের নির্ধারিত সমস্ত সময়সীমা ছাড়িয়ে গেছে। একজন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “ইরানিরা পুনর্গঠনের জন্য আমাদের দেওয়া সব টাইমলাইন পার করে গেছে।”

মার্কিন গোয়েন্দাদের আগের ধারণা ছিল এই ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ইরানের দীর্ঘ সময় লাগবে। তবে বর্তমান গতি বজায় থাকলে আগামী মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই ইরান তাদের ড্রোন হামলার পূর্ণ সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করতে পারে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, ইরান মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও লঞ্চারগুলো উদ্ধার করে পুনরায় সচল করছে। সিএনএন-এর সূত্র অনুযায়ী, মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার পরও ইরানের প্রায় ৫০ শতাংশ ড্রোন এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থা এখনো অক্ষত রয়েছে।

রাশিয়া ও চীনের প্রচ্ছন্ন মদদ: মার্কিন গোয়েন্দারা ইরানের এই অভাবনীয় গতির পেছনে রাশিয়া ও চীনের বড় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, রাশিয়া কাস্পিয়ান সাগরের নৌপথ ব্যবহার করে ইরানে ড্রোনের যন্ত্রাংশ পাঠাচ্ছে।

অন্যদিকে চীন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানকে বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল সরবরাহ করে আসছে। এমনকি যুদ্ধের সময় মার্কিন ঘাঁটির স্যাটেলাইট ইমেজ দিয়েও বেইজিং তেহরানকে সাহায্য করেছে বলে ওয়াশিংটন দাবি করেছে।

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: এই পুনর্গঠনের খবর এমন এক সময়ে এলো যার মাত্র একদিন আগে (বুধবার) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান যদি শান্তি চুক্তিতে না আসে তবে ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর পুনরায় সামরিক হামলা চালাতে প্রস্তুত। তবে চুক্তি বা জবাবের জন্য ওয়াশিংটন আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে পারে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যেভাবে দ্রুত নিজেদের অস্ত্রাগার সাজিয়ে তুলছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র যদি পুনরায় সামরিক অভিযান শুরুও করে, তবুও ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের জন্য এক বড় ধরনের হুমকি হিসেবেই থেকে যাবে।

এই বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও পেন্টাগন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।