কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চোরাকারবারীদের অপপ্রচার


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২২, ২০২৬, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ / ০
কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চোরাকারবারীদের অপপ্রচার

বেনাপোল প্রতিনিধি : বেনাপোল চেকপোস্টে কর্মরত কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু নাম সর্বস্ব অনলাইনে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

নিরাপত্তা জোরদার ও চোরাচালানবিরোধী তৎপরতা বাড়ানোর কারণে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র এ ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চেকপোস্ট কেন্দ্রিক একটি চক্রের সদস্যরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সুবিধা না পেয়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া কাস্টমস, বন্দর ও বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তার নামে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ও ব্লাকমেইল করে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে এ চক্রের বিরুদ্ধে। জানা গেছে লিটন নামে এক চোরাকারবারী ও তার তার আত্মীয় সুমন নামের এক ব্যক্তির ফেইক আইডি থেকে এসব করচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি পণ্যের শুল্ক আদায় যথাযথ হচ্ছে কিনা এবং পাসপোর্টধারী যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালান হচ্ছে কি না, তা তদারকি করে কাস্টমস ও শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। এর অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহে চেকপোস্টে এক যাত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সম্প্রতি নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এর ফলে স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রা ও অবৈধ পণ্য আটকের ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
অভিযোগ রয়েছে, এসব তৎপরতায় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট মহলের একটি অংশ ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও সদস্যের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কিছু অনলাইন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। এমনকি তাঁদের কর্মস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আমদানিকারক আতিকুর রহমান জানান, বিভিন্ন পেশার পরিচয়ে সাম্প্রতি কিছু মানুষ ফেইক ফেসবুক পেইজ তৈরী করে কোন তথ্য প্রমান ছাড়া যার তার নামে সম্মানহানিকারক কথা লিখে পোষ্ট করছে। পরে অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে লেখা তুলে দিচ্ছে। এসব ফেইক ফেসবুক পেজের মধ্যে অবিচল সত্যের পথে,প্রজন্ম ৭১, সত্যবাদি বেশি আলোচিত। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানান।

বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের
সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে শুল্ক গোয়ান্দা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বলেন, আগে চেকপোষ্ট কাস্টমসর শুল্কগোয়েন্দা সদস্যদের নিয়োগ না থাকায় কোন স্বর্নের চালান আটক হতোনা। এখন সেখানে শুল্কগোয়েন্দা দায়িত্ব নেওয়ার পর একের পর পাসপোর্টধারীদের ব্যাগ ও শরীর তল্লাশী করে স্বর্নচালান আটক করা হয়েছে। গত সপ্তাহেও স্বর্নবারসহ পাসপোর্টধারীকে আটক করেছে তারা। যখনই নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়, তখনই একটি শ্রেণির মানুষ সুবিধা বঞ্চিত হয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়। এতে আমরা বিচলিত নই। তবে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সবাইকে পেশাদারত্ব বজায় রাখার অনুরোধ জানান এ কর্মকর্তা। তিনি আরও জানান, চোরাচালান প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাস্টমসের পাশাপাশি শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের কার্যক্রম আগামী দিনেও এভাবে অব্যাহত থাকবে।