

চীনের জৈবপ্রযুক্তি, ওষুধ শিল্পের গতি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
ইদানিং, চীনের ওষুধশিল্পে একাধিক বিশাল চুক্তি নিয়ে একটি ত্রৈমাসিক প্রকাশ এখন আর অস্বাভাবিক নয়। সম্প্রতি চীনের হাইস্কো ফার্মাসিউটিক্যাল গ্রুপও দুটি চুক্তি যুক্ত করেছে, যার মধ্যে সর্বশেষ চুক্তিটির মূল্য ৭৪কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। চুক্তির শর্তানুযায়ী, হাইস্কো মার্কিন ওষুধ নির্মাতা অ্যাবভি-কে চীনের বাইরে তাদের নিজস্ব একটি ব্যথানাশক ওষুধের উন্নয়ন, উৎপাদন এবং বিপণনের অধিকার দিয়েছে।
কারণ, আসন্ন পেটেন্ট মেয়াদ শেষের আগে বিশ্বব্যাপী ওষুধ নির্মাতারা তাদের পণ্যের ভা-ার পুনরায় পূরণের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এরফলে, বহুজাতিক সংস্থাগুলো ক্রমবর্ধমানভাবে চীনা উদ্ভাবনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
শিল্পখাতের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ চীন থেকে অনুমতি চুক্তির মূল্য প্রায় দশগুণ বেড়ে ১৩হাজার ৭শ’ ৭০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে এবং বৈশ্বিক সংস্থাগুলো সাশ্রয়ী ও যুগান্তকারী উদ্ভাবন খোঁজায়, এর আরও বৃদ্ধি প্রত্যাশিত।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও যেহেতু চীনের জৈব প্রযুক্তিতে ওষুধ আবিষ্কার ও উন্নয়নকে নতুন রূপ দিচ্ছে, তাই এই পরিবর্তন হয়তো একটি নতুন মাত্রা পাচ্ছে। এআই প্ল্যাটফর্মগুলো ইতোমধ্যেই প্রাথমিক পর্যায়ের ওষুধ উন্নয়নের সময়সীমা কয়েক বছর থেকে কমিয়ে মাত্র ১২ থেকে ১৮ মাসে নিয়ে আসছে, যা গতি ও পরিধির দিক থেকে চীনের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করছে।
ম্যাকোয়ারি ক্যাপিটালের এশিয়া হেলথকেয়ার রিসার্চের প্রধান টনি রেন বলেন, ‘চীন ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক মূল্যবান ওষুধ ব্যাবস্থার একটি বড় অংশীদার এবং আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরে এর ভূমিকা আরও বাড়তে পারে।’
চীনের জৈবপ্রযুক্তি খাত বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলে তার আরোহণকে ত্বরান্বিত করছে বলে মনে হচ্ছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্ভবত সময়সীমা সংকুচিত করছে এবং এর প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলছে।
আপনার মতামত লিখুন :