যশোরে বিভিন্ন অপরাধে চারজনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড করেছে আদালত


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ / ০
যশোরে বিভিন্ন অপরাধে চারজনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড করেছে আদালত

বিভিন্ন অপরাধে আটক চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন যশোরের একদিনের বিচারিক আদালত। রোববার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল পৃথক মামলার শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোড এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে সাদিক, শংকরপুর চোপদারপাড়া এলাকার সিরাজের ছেলে সোহাগ, যশোর সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে শাকিব হোসেন এবং বাঘারপাড়া উপজেলার আরজী বাসুয়াড়ী গ্রামের কাজী আমিনুর রহমানের ছেলে কাজী আরমান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাদিক দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও জুয়া খেলায় জড়িয়ে পড়েন। এ জন্য তিনি নিয়মিত মায়ের কাছে টাকা দাবি করতেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে টাকা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মাকে গালিগালাজ ও মারধর করেন। একপর্যায়ে ধারালো চাকু নিয়ে মায়ের দিকে তেড়ে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং বাড়িতে ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় সাদিকের মা ফাতেমা খাতুন থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তাকে আটক করে আদালতে পাঠায়। শুনানি শেষে আসামি দোষ স্বীকার করায় আদালত তাকে ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

অন্যদিকে, কোতোয়ালি থানা পুলিশ শহরের শংকরপুর মুরগির ফার্ম রেলগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহাগকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানায়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতের শুনানি শেষে দোষ স্বীকার করায় সোহাগকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

যশোর ডিবি পুলিশ রোববার ভোরে চাঁচড়া-ধর্মতলা সড়কের ইয়াকুবের চায়ের দোকান এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে শাকিব হোসেনকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানায়। পরে মামলার শুনানি শেষে আদালত শাকিবকে ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

এছাড়া, বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার সনু বেপারির সামনের বাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাজী আরমানকে আটক করে। পুলিশ জানায়, পালানোর সময় ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে ২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ মামলায় শুনানি শেষে আদালত কাজী আরমানকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।