

স্টাফ রিপোর্টার বেনাপোলঃ দীর্ঘদিন ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন লক্ষণপুর নৈহাটি গ্রামের কৃতী সন্তান ও লক্ষণপুর স্কুল এন্ড কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক কামাল হোসেন পাঠান। তাঁর মৃত্যুতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
যশোরের শার্শা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী লক্ষণপুর স্কুল এন্ড কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক কামাল হোসেন পাঠান স্যারের মৃত্যুতে শোকাহত তাঁর অসংখ্য শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তিনি ছিলেন লক্ষণপুর নৈহাটি গ্রামের একজন কৃতী সন্তান। শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন ও আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
কামাল হোসেন পাঠান স্যারের দীর্ঘদিনের অসুস্থতার বিষয়ে জানতে চাইলে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সবুজ বিপ্লব জানান, তাঁদের প্রিয় শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। এই কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি না ফেরার দেশে চলে গেলেন। প্রিয় শিক্ষকের মৃত্যুতে তিনি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
একজন শিক্ষক শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানই দেন না, শিক্ষার্থীদের জীবনে নৈতিকতা, আদর্শ ও স্বপ্ন দেখার প্রেরণাও জোগান। কামাল হোসেন পাঠান স্যার তাঁর শিক্ষার্থীদের কাছে তেমনই একজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
তাঁর চলে যাওয়ায় শিক্ষা অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। লক্ষণপুর স্কুল এন্ড কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রিয় শিক্ষক কামাল হোসেন পাঠান স্যারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি জানানো হচ্ছে আন্তরিক সমবেদনা। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করতে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হচ্ছে।
তিনি তাঁর কর্ম, আদর্শ ও অসংখ্য শিক্ষার্থীর হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
শোক প্রকাশে: লক্ষণপুর স্কুল এন্ড কলেজ এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন।
আপনার মতামত লিখুন :