প্রয়াত ড. সুকুমার রায়ের স্মরণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবৃত্তি চালু


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : জুন ২০, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ /
প্রয়াত ড. সুকুমার রায়ের স্মরণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবৃত্তি চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক, বিশিষ্ট গবেষক ও শিক্ষক প্রয়াত ড. সুকুমার রায়ের স্মরণে তাঁর পরিবারের উদ্যোগে ‘ড. সুকুমার রায় মেধা বৃত্তি’ চালু করা হয়েছে। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও মেধা বিকাশে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বৃত্তি প্রবর্তন করা হয়েছে।

জানা গেছে, ড. সুকুমার রায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে এ মেধাবৃত্তি তহবিলে ১০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এ অর্থের লভ্যাংশ থেকে প্রতি বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন-ক্যাম্পাস বাংলা বিভাগের মাস্টার্স পর্যায়ে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী একজন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজসমূহের মধ্যে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী একজন শিক্ষার্থীকে ‘ড. সুকুমার রায় মেধা বৃত্তি’ প্রদান করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘ড. সুকুমার রায় মেধা বৃত্তি’ ফান্ডের দাতা পরিবার ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) ও ফান্ডের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ এবং ড. সুকুমার রায়ের সহধর্মিণী রীতা ব্রহ্ম।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, “ড. সুকুমার রায়ের পরিবারের এই মহৎ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে।” তিনি সমাজের বিত্তবান ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এটিএম জাফরুল আযম, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, ফান্ডের সদস্য সচিব ও ফ্যাকাল্টি অব হিউম্যানিটিস অ্যান্ড ল’-এর চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ হাদিউজ্জামান, বাংলা বিভাগের শিক্ষক ইমন সালাউদ্দিন এবং ড. সুকুমার রায়ের পুত্র সুদীপ ব্রহ্ম রায়।

উল্লেখ্য, প্রয়াত ড. সুকুমার রায় ছিলেন একজন কৃতী গবেষক, শিক্ষক ও সাহিত্যপ্রেমী। তিনি ২০২১ সালের ৭ জুলাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জন্ম যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের বুড়িহাটি গ্রামে। শিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে তাঁর অবদান আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রতিষ্ঠিত এ মেধাবৃত্তি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।